বাঁকখালী নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

0 ৭১

গোলাম আজম খান,

বাঁকখালী নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার ( ২৮ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে নদীর কস্তুরাঘাটস্থ মোহনা থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযানে উপস্থিত রয়েছেন।

এ সময় দুর্ঘটনা ও যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঢাকা জেলা পুলিশের শতাধিক পুলিশ, র‌্যাব বিজিবি সদস্য উপস্থিত রয়েছেন।

কক্সবাজার শহরের প্রাণ হিসেবে পরিচিত বাঁকখালী নদীর তীরে দখলের মহোৎসব চলছে গত ৫ বছর ধরে। নদীর তীরে ৬ শ হেক্টর প্যারাবন নিধন করে একে একে চলছে স্থাপনা নিমার্ণের কাজ। শুধু মাত্র ২ মাসের ব্যবধানে নদীর তীরের শত হেক্টর জমি দখলের পর চলছে স্থাপনা নিমার্ণ। খুরুশকুলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মান করা হচ্ছে একটি সেতু। এইসেতুর পাশাপাশি সংযোগ সড়ক তৈরী হওয়ায় সড়কের দুই পাশে প্যারাবন ধ্বংস করে নদী দখলের মহোৎসবে মেতে ওঠেছে প্রভাবশালী চক্র। একে এক দখলের মহোৎসব চললে।

যদি এখানে একটি নদী বন্দর হওয়ার জন্য সরকারের প্রজ্ঞাপন রয়েছে। এর জন্য এ জমি বিআইডব্লিউটিএ কে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য হাইকোর্টের রায় রয়েছে। এর প্রক্ষিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো আবু সুফিয়ান।

তিনি জানান, সকালে শুরু হওয়া এ অভিযান সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। কোনভাবেই নদী দখলের প্রশ্নে ছাড় দেয়া হবে না।

রিপ্লাই করুন

Your email address will not be published.