ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ভোট গ্রহণ শুরু

0 ৯৭

আজ মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি। থাকবে পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। নির্বাচনে ঘিরে পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা।

ধলঘাটা ইউনিয়নের নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ হাজার ৪১৪ ও নারী ভোটার ৪ হাজার ৪৮৫ জন। ইউনিয়নটিতে মোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোটকক্ষ ২৮টি।

গতকাল রবিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয় ব্যালট বাক্স, ব্যালট ও নির্বাচনি আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। ৯টি কেন্দ্রে ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন করে পুলিশ সদস্য ও ১৭ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নির্বাচনি মাঠে ৪ প্লাটুন বিজিবি, ৪ টি মোবাইল টিম, পুলিশের স্টাইকিং ফোর্স ও  র্যাবের ২টিম টহলে থাকবে।নির্বাচনে ৯ হাজার ৮৯৯ জন ভোটারের বিপরীতে চেয়ারম্যান পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের নির্বাচনে বিরোধী দল বিএনপি অংশ গ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিকের বিরুদ্ধে দলের বিদ্রোহীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় সরকার দলীয় প্রার্থী কিছুটা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলেও পিছিয়ে নেই বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। সরকারি দল ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপজেলা থেকে একদম ওয়ার্ড পর্যন্ত দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে এই নির্বাচনে ধলঘাটা ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীদের সাথে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে দলীয় ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে। নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে রয়েছে শঙ্কা।

সম্পর্কিত পোস্ট

ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী নৌকার মাঝি সাবেক চেয়ারম্যান আহছান উল্লাহ বাচ্চু ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল উদ্দিন (চশমা মার্কার) মধ্যে মূল ভোট যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটাররা মনে করেন নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এখানে ওই দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই জমবে। বর্তমান চেয়ারম্যান কামরুল হাসান মোটর সাইকেল মার্কা প্রতিযোগিতায় নাও আসতে পারে।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে আহছান উল্লাহ বাচ্চু, বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল উদ্দিন চশমা মার্কা ও আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল হাসান মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটাররা জানান, দুইজনে জিততে মরিয়া হয়ে আছে। এ কারণে শঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রার্থীদের মধ্যে অন্যদের তেমন শক্তি সামর্থ্য কম হলেও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও নৌকার প্রার্থীর মধ্যেই দুই-মুখি মূল লড়াই হবে। সেক্ষেত্রে ভোটের দিন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে। তারপরও আমরা ভোটাররা চাই শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হোক।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটানিং কর্মকর্তা বিমলেন্দু কিশোর পাল জানান নির্বাচন শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটের দিন পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত থাকবে। ভোটারদেরকে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসার  আহ্বান জানান। 

রিপ্লাই করুন

Your email address will not be published.